অপরাধ আটকাতে পুলিশের “কো-অর্ডিনেশন হোয়াটস্যাপ গ্রুপ - The News Lion

অপরাধ আটকাতে পুলিশের “কো-অর্ডিনেশন হোয়াটস্যাপ গ্রুপ




দি নিউজ লায়ন ;   বাংলা এবং ঝাড়খন্ড   দুই রাজ্যের সীমান্তবর্তী এলাকার অপরাধ কমাতে এবার তৈরি হল হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপ।  ঝাড়খন্ডের ধানবাদ জেলা পুলিশ ও আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশের মধ্যে তৈরি হল “কো-অর্ডিনেশন হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপ”। সম্প্রতি হীরাপুরে এটিএমে ১৭ লাখ টাকা লুঠের ঘটনা ঘটেছে। অতীতে সোনার দোকান, অর্থলগ্নিকারী সংস্থাতেও ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে আসানসোলে। একইভাবে ঝাড়খণ্ডের ধানবাদ ব্যাঙ্কমোড়ে সম্প্রতি সোনার দোকানে ২৫ লাখ টাকার ডাকাতি, পেট্রোলপাম্পে ডাকাতি, এমভিআই কাস্টমার সার্ভিসে লুঠের ঘটনা ঘটেছে। 


আসানসোল ও ধানবাদ দুটি ক্ষেত্রেই লুঠের ঘটনায় মিল রয়েছে বা লুঠের কায়দায় সামঞ্জস্য রয়েছে। মনে করা হচ্ছে একই গ্যাং এর সদস্যরা সীমানার দুই কয়লাখনি শহরে লুঠের ঘটনা ঘটাচ্ছে। তাই দুরাজ্যের, দুই জেলা সীমানার পুলিশও এবার সমন্বয় তৈরি করতে উদ্যোগী হল। আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনার সুকেশ কুমার জৈন ও ধানবাদ পুলিশ সুপার অসীম বিক্রান্ত মীজ দুজনের মধ্যে সম্প্রতি বৈঠক হয় কুলটিতে। 


জানা গেছে দুজনেই ২০০৫ ব্যাচের আইপিএস। অপরাধ রুখতে ও অপরাধীদের সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য আদানপ্রদান তাঁরা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ তৈরি করল। ঠিক হয়েছে, এ বার থেকে বাংলা ও ঝাড়খণ্ড সীমানা লাগোয়া আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট ও জামতাড়া এবং ধানবাদ জেলার পুলিশ একযোগে অপরাধ ও অপরাধীদের সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য আদানপ্রদান করবে।  হঠাৎ কোনও অপরাধ সংগঠিত হলে ওই গ্র‌ুপের মাধ্যমে সম্ভাব্য দুষ্কৃতীদের তথ্য ওই গ্র‌ুপে শেয়ার করা হবে। 


আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনার সুকেশ জৈন বলেন, ' ঝাড়খণ্ডের সঙ্গে বাংলার আটটি সীমানা রয়েছে। সিসিটিভি লাগিয়ে দেওয়া হবে ওই আটটি সীমানাতেই। এ ছাড়া জাতীয় সড়ক ও ঝাড়খণ্ড-বাংলা সীমানায় নিয়মিত নাকা চেকিং চলে। 


কোনও দুষ্কর্ম ঘটলে যাতে সহজেই এই গ্র‌ুপে তথ্য জানিয়ে দেওয়া যায়। এতে অপরাধীদের শনাক্ত করতে সময় কম লাগবে।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.